অ্যাজমার চিকিৎসা

অ্যাজমা ধরা পরলে কি করণীয়?

যদি আপনার অ্যাজমা ধরা পরে, তাহলে আপনার জন্য সুখবর হচ্ছে এমন অনেক কার্যকরী ঔষুধ পাওয়া যায় যেগুলো এটির লক্ষণকে নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। যখন প্রথম আপনার এটি ধরা পরবে, আপনি কি রকম অনুভব করছেন এবং আপনার চিকিৎসার জন্য আপনি সম্ভবত কয়েকবার ডাক্তার দেখাবেন। এরপর যা গুরুত্বপূর্ন তা হলো আপনি নিয়মিত, বছরে অন্তত একবার অ্যাজমা পরীক্ষা ও পর্যালোচনা করবেন যাতে আপনার অ্যাজমা বা হাঁপানি নিয়ন্ত্রনে থাকে। এটি করার ফলে আপনার ঔষুধের ডোজ ঠিকমত আছে কিনা তা বোঝা যায় এবং প্রয়োজনে বাড়ানো বা কমানো যায়। যদি আপনি অ্যাজমার কর্ম পরিকল্পনা ঠিক করে রাখেন তাহলে আপনার অ্যাজমা আক্রমনের সম্ভাবনা চারগুন কমে যাবে। এটি আপনি প্রতিটি পর্যালোচনায় নিয়ে যেতে পারেন।

চিকিৎসাঃ

অ্যাজমার চিকিৎসা এর সবচেয়ে প্রচলিত রুপ হল ইনহেলার। অনেকে একে পাম্প বা পাফারও বলে থাকেন।

ইনহেলারে পরিমাণমত ওষুধের ডোজ দেয়া থাকে। ইনহেলারে শ্বাস নিলে তা সরাসরি শ্বাসনালীতে পৌঁছে যায়। এর তেমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুবই কম বা নেই বললেই চলে। বাজারে অনেক ধরণের ইনহেলার পাওয়া যায়। প্রতিরোধক ইনহেলারগুলো অ্যাজমার লক্ষণগুলোকে আরম্ভ হওয়া থেকে বিরত রাখে। নিরামক ইনহেলারগুলো অ্যাজমার লক্ষণগুলো দেখা দিলে তা থেকে নিরাময় দেয়। এই দুই ধরণের ইনহেলারই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

ডাক্তার বা নার্সের কাছ থেকে ইনহেলারের ব্যবহার ভালভাবে শিখে নিতে হবে। একেক ইনহেলার একেক ভাবে কাজ করে। ঠিকভাবে ব্যবহার না করলে ওষুধ শ্বাসনালীতে যাবে না। এবং তার সম্পূর্ণ সুবিধাও পাওয়া যাবে না।

নিবারকঃ

অ্যাজমা চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল শ্বাসনালীর প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করা। প্রতিরোধক ইনহেলারগুলো ইনহেলড স্টেরয়েড বহন করে, ঠিক যেরকম স্টেরয়েড আমাদের শরীর তৈরি করে। প্রতিদিন বাড়তি স্টেরয়েড গ্রহন প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে আর লক্ষণগুলো কমিয়ে দেয়। নিয়মিত দুবার- সকালে ও রাতে শোবার আগে প্রতিরোধক ইনহেলার গ্রহণ অ্যাজমা প্রতিরোধ করে।

বিকল্পঃ

আপনার শ্বাসের সাথে সাঁ সাঁ শব্দ, শ্বাসকষ্ট আর বুকে চিন চিন ব্যথা হলে সাধারণত তখন আপনাকে আরেক ধরণের ইনহেলার নিতে হবে লক্ষণগুলো কমানোর জন্য। এই উপশমকারী ইনহেলারগুলোতে SABA (Short-Acting Beta-Agonists) বা শর্ট অ্যাকটিং বেটা অ্যানটাগনিস্ট নামের ওষুধ থাকে। শ্বাসনালীর সংকুচিত মাংসপেশীকে এটি শিথিল করে দেয়। শ্বাস-নালী বড় হয়ে বাতাস চলাচল সহজ হয়। লক্ষণগুলোও কমে যায়। সবচেয়ে প্রচলিত SABA হল সলবিউটামল, যা ভেনটোলিন নামেও পরিচিত।

অন্যান্যঃ

উপশমকারী ইনহেলারগুলো খুব দ্রুত কাজ করে- প্রায়ই সেকেন্ডের মধ্যে। কিছুক্ষণের ভিতরেই আপনি উপকার টের পেয়ে যাবেন। শুধু আপনাকে লক্ষণ শুরুর সাথে সাথেই ইনহেলারটি নিতে হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।

আরও গল্প

একটা মুভি দেখা কি এতই ...

এই কি জীবনের সব?

কেন আমি কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে ...

আরও গল্প

মধুর উপকারিতা

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

১০০ রোগের ঔষধ একটি নিম গাছ

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago