অ্যাজমা একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা শ্বাসনালীতে প্রদাহ সৃষ্টি করে ও সংকীর্ণ করে দেয়

অ্যাজমা একটি দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অবস্থা যা শ্বাসনালীর উপর প্রভাব ফেলে। শ্বাসনালী হল ছোট ছোট পাইপের মত যেগুলো ফুসফুসের ভিতরে বায়ু বহন করে ও বাহিরে বের করে দেয়। কারও অ্যাজমা থাকলে এই নালীগুলোতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আর তার যে যে জিনিসে স্পর্শকাতরতা রয়েছে, সেগুলো কাছে এলেই এখানে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এরকম একটি শারীরিক অবস্থা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা ফেলবেই, তাই অ্যাজমা নিয়ন্ত্রন করতে আপনার এটি সম্পর্কে আপনার জানা গুরুত্বপূর্ণ যাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা আপনাকে আরও সাহায্য করতে পারে।

কিন্তু এটাকে আপনার জীবনের পুরো নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দিতে হবে? জীবনের সবক্ষেত্রেই এটা প্রভাব ফেলবে? এর থেকে মুক্তির কি কোনই উপায় নেই?

অ্যাজমা অ্যাটাক কিভাবে রোধ করা যাবে?

অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে অনেক কিছুই করার আছেঃ

নিয়মিত ওষুধগুলো খেলে, ঠিক যেভাবে ডাক্তার বলেছেন একটা লিখিত অ্যাকশন প্ল্যান অনুসরণ করলে নিয়মিত ডাক্তার বা নার্সের কাছে আপনার অ্যাজমার পরীক্ষা করালে অ্যাজমা অ্যাটাক রোধ করা যাবে।

  • ইনহেলারটি ঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা ডাক্তারদের কাছ জেনে নিতে হবে।
  • অ্যাজমা বাড়িয়ে দেয় এমন ট্রিগারগুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ।
  • অ্যাজমার লক্ষণগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে লক্ষণ বেশি খারাপ হবার আগেই টের পেয়ে যেতে পারেন।
  • আমাদের ‘রিস্ক টেস্ট” দিয়ে অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।
  • ধূমপান থেকে দূরে থাকতে হবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • ওজন কমাতে হলে জন্য কোন ধরণের ডায়েট ভাল হবে ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
  • নিয়মিত Flu এর টিকা নিতে হবে যদি প্রয়োজন হয়।

অ্যাজমা কি মৃত্যুর কারণ হতে পারে?

হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসা ছাড়া আপনার অ্যাজমা রোগটি আরো বেশি গুরুতর হতে পারে এবং অ্যাজমা আক্রমণ অনেকটা এরকমই। সবচেয়ে জঘন্য ও দুঃখজনক সত্য এই যে, অ্যাজমা রোগটির জন্য প্রতিদিন গড়ে ৩ জন মৃত্যুবরণ করে থাকে।

তবে একটি ইতিবাচক দিক হল এই যে, অনুমান করা হয়ে থাকে যে, রুটিন করে ভালমতো যত্ন নিলে অ্যাজমা সম্পর্কিত দুই-তৃতীয়াংশ মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়। নির্ধারিত প্রেসপিকশন/নিয়ম অনুযায়ী অ্যাজমার ঔষুধ গ্রহন, অ্যাজমা রোগ ও সম্ভাব্য উপসর্গের আক্রমণ প্রতিরোধের সবচেয়ে সেরা উপায়।

এছাড়াও আপনি অ্যাজমার যদি একটি লিখিত কর্মপরিকল্পনা (Routine) ব্যবহার করেন তবে আপনি চারবারের কম সময়ের মধ্যে হাসপাতালে এর চিকিৎসা শেষ করতে পারবেন।

 

আরও গল্প

একটা মুভি দেখা কি এতই ...

এই কি জীবনের সব?

কেন আমি কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে ...

আরও গল্প

মধুর উপকারিতা

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

১০০ রোগের ঔষধ একটি নিম গাছ

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago