পেয়ারা পাতার অসাধারণগুণ

 

পেয়ারা একটি সুস্বাধু ফল। পেয়ারাতে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন আছে। তেমনি পেয়ারা পাতারও রয়েছে অনেক গুণ। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে পেয়ারা পাতার কিছু অসাধারণ স্বাস্থ্যকর গুণের কথা।

 

১. পেয়ারা পাতার চা নিয়মিত খেলে রক্তের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। এটি ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে কাজ করে।


২. পেয়ারা পাতার চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য এটি ডায়রিয়া ও ডিসেনট্রি কমাতে কাজ করে।


৩. কফ ও ব্রঙ্কাইটিস কমাতেও পেয়ার পাতার চা বেশ কার্যকর।


৪. পেয়ারা পাতার চা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমাতে কাজ করে এবং  পেট ভরা ভরা ভাব রাখে। এতে ওজন কমে।


৫. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত পেয়ারার পাতার চা পান করা ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কাজ করে।পেয়ারা পাতা রক্তে আলফা গ্লুকোডাইজ এনজাইম অ্যাক্টিভিটির পরিমাণ কমিয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।


৬.ডায়েরিয়া থেকে মুক্তি পেতে পেয়ারা পাতার গুণাগুণ অনস্বীকার্য। পেয়ারা পাতার অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জন্য পাকস্থলীর সমস্যারোধে ভালো কাজ করে।


৭. পেয়ারার পাতা পানিতে ফুটান। একে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পানিটি মাথায় ম্যাসাজ করুন। চুল পড়া প্রতিরোধ হবে।  চুল পড়ার সমস্যা প্রতিরোধ করতে পেয়ারা পাতা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

 

৮.শরীরের কনও অংশ কেটে গেলে সেখান থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় পেয়ারা পাতা।

 

৯. য়ারা পাতা দাঁত ভাল রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। দাঁত ব্যাথা, মাড়ির সমস্যায় অ্যন্টিব্যাকটেরিয়াল-এর ভূমিকা পালন করে।

 

১০. প্রস্টেট ক্যান্সারে পেয়ার পাতা বিশেষ উপকারি।

 

১১.পুরুষের শরীরে শুক্রাণু বৃদ্ধিতে পেয়ারা পাতার জুড়ি মেলা ভার।

 

১২.পেয়ারা পাতা হল একটি অত্যন্ত ভাল স্কিন কেয়ার এজেন্ট। ত্বকের যাবতীয় সমস্যা যেমন— অ্যাকনে, পিম্পল, ব্ল্যাকহেডস প্রভৃতি রোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

 

Contributer : Redwana Antu

Brac Uuniversity

 

আরও গল্প

একটা মুভি দেখা কি এতই ...

এই কি জীবনের সব?

কেন আমি কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে ...

আরও গল্প

অ্যাজমার চিকিৎসা

হেলথকেয়ার ব্লগ
2 days ago

10 ways to keep your mind sharp!

হেলথকেয়ার ব্লগ
6 days ago

কোমর ব্যথায় করণীয়

হেলথকেয়ার ব্লগ
1 week ago

হঠাৎ হাঁচি আসলে কি করণীয়?

হেলথকেয়ার ব্লগ
1 week ago