সকালের ৪ ব্যায়াম!

 

দিনের যেকোনো সময়ের ব্যায়ামের চেয়ে সকালের ব্যায়াম সবচেয়ে বেশি উপকারী। কেননা এই সময়ে কার্বোহাইড্রেটের বদলে চর্বিকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে শরীর। এতে ব্যবহারযোগ্য বেশির ভাগ কার্বোহাইড্রেট বা গ্লুকোজ রাতের শারীরিক সাপোর্ট দিতেই ব্যবহার হয়ে যায়।তা ছাড়া শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক রাখতেও সকালের ব্যায়াম খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যায়ামের ফলে সারা দিনের জন্য শরীর ফিট রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোসহ কর্মক্ষম আর ঝরঝরে মন নিয়ে কাজ করা যায়। সকালের হালকা ব্যায়ামের মধ্যে হাঁটা বা জগিং হলো সর্বোত্কৃষ্ট। তাই মেদ বা ফ্যাট কমাতে চাইলে সকালের দিকে ব্যায়াম উপকারী ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে উঠে হালকা ‘স্ট্রেচিং’ বা দেহ টান টান করলে শরীরের ‘ম্যাজম্যাজ’ ভাব কাটাতে সাহায্য করে ।

শরীরচর্চাবিষয়ক এমন চারটি স্ট্রেচিং পদ্ধতি হল :

১. যোগ ব্যায়ামের পদ্মাসন ভঙ্গিতে বসে দুই হাত সামনের দিকে যতটা সম্ভব বাড়িয়ে দিতে হবে। এ সময় দুই হাতের আঙুলগুলো ভাজে বসিয়ে নিতে হবে। হাতের তালু থাকবে সামনের দিকে। এরপর দুই হাত আস্তে মাথার উপর উঠাতে হবে। পরে কোমর থেকে ডানে ও বামে যতটা সম্ভব কাত হতে হবে।এ পদ্ধতিতে শরীরের উপরাংশ, কাধ, বাহু ও কোমরের স্ট্রেচিং হয়।

২.পিঠের ভরে শুয়ে পা উপরে ওঠাতে হবে। পরে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে পেটের উপর এনে বিপরীত পাশের হাত দিয়ে চাপ দিতে হবে। এবার হাঁটুকে মেঝের দিকে টানতে হবে এবং কোমরের থেকে পিঠ বাঁকাতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে দুই কাঁধ যেন অবশ্যই মেঝেতে লেগে থাকে। একইভাবে দুই পায়ের মাধ্যমে ডানে-বামে ব্যায়ামটি করতে হবে।এই ব্যায়ামের মাধ্যমে পিঠ, মেরুদণ্ড ও নিতম্বের পেশি স্ট্র্রেচিং হয়।

৩.দুই পা ভাঁজ করে বসে পেছনে দুই হাতের তালু মাটিতে রেখে হাতের উপর শরীরের ওজন দিন। এবার ধীরে মাথা পেছনের দিকে এলিয়ে দিন এবং হাতে ভর দিয়ে কোমর থেকে পুরো শরীর উপরে ওঠাতে হবে। কিছুক্ষণ ধরে রেথে আগের অবস্থায় ফিরে যান। এভাবে কয়েকবার ব্যায়ামটি করতে হবে।

৪.সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে জোরে শ্বাস টানার সঙ্গে দুই হাত মাথার উপরে টানটান করতে হবে। পাশাপাশি পায়ের গোড়ালি উপরে তুলে পায়ের পাতার ভরে দাঁড়াতে হবে। এতে পুরো শরীর টানটান হবে। এবার শ্বাস ছেড়ে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে হবে। এবার কোমর থেকে শরীর বাঁকিয়ে হাত দিয়ে পায়ের আঙুল ধরার চেষ্টা করতে হবে। তবে হাঁটু ভাঁজ করা যাবে না। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে ঘাড়, পুরো পিঠ, হাটুর পেছনের অংশ, ঘাড়, হাত সবকিছুই টানটান থাকবে।নিতম্ব, পেট ও বুকের পেশি টানটান হয় এই ব্যায়ামে।

 

সুস্থ থাকতে এই ব্যায়ামগুলো প্রতিনিয়ত করা উচিত ।

 

Contributer : Redwana Antu

Brac University

আরও গল্প

একটা মুভি দেখা কি এতই ...

এই কি জীবনের সব?

কেন আমি কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে ...

আরও গল্প

মধুর উপকারিতা

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago

১০০ রোগের ঔষধ একটি নিম গাছ

হেলথকেয়ার ব্লগ
3 months ago