বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ ঃ
• গাছের ডগার কচি পাতা হলুদভাব ও লালচে হয়ে যায় এবং পাতা কুঁকড়ে যায়।
• গাছে পানি দেওয়ার পরও পাতা সতেজ হয় না।
• গাছের কচি ডালের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ায় গিড়া খাটো হয়।
ফলে গাছ ঠিকমতো বাড়ে না এবং পাতার বোঁটা ফেটে যায়।
• পরাগায়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার ফলে শস্য ও ফলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
• শস্যে দানা হয় না, ফুলকপির কার্ডে গর্ত হয়, বাঁধাকপির হেড ফরমেশন হয় না এবং ফলের আকার বিকৃত হয়।
• শিমের মধ্যভাগ পচে কালচে রং ধারণ করে।
তামাক গাছের উপরিভাগ পচে যায়।
• ভুট্টার মোচা পরিপূর্ণ হয় না।
•
ফলের ত্বক ফেটে যায়।
প্রয়োগ পদ্ধতি ঃ জমি তৈরির শেষ চাষে বা চারা লাগানোর সময় অন্যান্য রাসায়নিক সারের সঙ্গে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।
প্রয়োগমাত্রা ঃ
• ডালজাতীয় শস্য (মুগ, মসুর, ছোলা, খেসারি ইত্যাদি ৫০০ গ্রাম (৩৩ শতাংশে)
• কলা, আনারস, তরমুজ, পেঁপে, লেবু, সরিষা ৮০০ গ্রাম (৩৩ শতাংশে)
• ধান, গম, আলু, ভুট্টা, ইক্ষু, শিম, বরবটি, মটরশুটি, পটল, পান, বাদাম ৯০০ গ্রাম (৩৩ শতাংশে)
• লাউ, কুমড়া, শসা, ঢেঁড়স, ফুলকপি, বাঁধাকপি, তুলা, কাকরোল, গাজর ১ কেজি (৩৩ শতাংশে)
• পিঁয়াজ, রসুন, মরিচ, সূর্যমুখী, সয়াবিন ১.৫ কেজি (৩৩ শতাংশে)