• মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
• মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
• মাটী ঝুরঝুরে ও বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
• ফসলের পুষ্টি উপাদানের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
• মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
• মাটির অম্লতা কমিয়ে উপকারি অণুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
• রাসায়নিক সার ১৫-২০% সাশ্রয় করে।
• মাটিতে কিটনাশক ও রাসায়নিক সারের অধিক্যজনিত বিষক্রিয়া হ্রাস করে।
• ট্রাইকোডার্মাসমৃদ্ধ হওয়ায় ক্ষতিকর অনুজীব নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।